Science Investigative Study Class 7 Sheet Download বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ সপ্তম শ্রেণী অধ্যায় ২ অণু পরমাণু
বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ সপ্তম শ্রেণী অধ্যায় ২ অণু পরমাণু পাঠভিত্তিক সুপার এন্যালাইসিস শিট Class 7 Science investigative study Chapter 2 Sheet Download
পরমাণু
i. লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি পদার্থ তৈরি হয়েছে মাত্র ৯৮ টি মৌলিক পদার্থ ।ii. যে পদার্থ ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বলে ।
iii. সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ পাওয়া গেছে কিংবা ল্যাবরেটরিতে তৈরি হয়েছে।
iv. ৯৮টির বাইরে যে ২০টি মৌলিক পদার্থ আছে সেগুলো কৃত্রিমভাবে তৈরি হয়েছে।
v. হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন দিয়ে পানি তৈরি ।
vi. পানি মৌলিক পদার্থ নয় ।
vii. যে সকল পদার্থকে ভাঙলে দুই বা দুইয়ের মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায় সেগুলোকে যৌগিক পদার্থ বলে।
ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন
i. মৌলিক পদার্থগুলো তৈরি হয়েছে ‘পরমাণু”দিয়ে ।
ii. পরমাণু গুলো তৈরি হয়েছে মাত্র তিনটি কণা দিয়ে, সেগুলোর নাম হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন।
পরমাণু্র গঠন
i. ইলেকট্রন, প্রোটন আর নিউট্রন দিয়ে তৈরি মৌলিক পদার্থের সবচেয়ে ছোট একক হচ্ছে পরমাণু ।
ii. পরমাণু গুলোর মাঝখানে আছে প্রোটন আর নিউট্রন দিয়ে তৈরি খুবই ছোট একটি নিউক্লিয়াস । নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরছে ইলেকট্রন ।
iii. পরমাণুর মাঝখানে থাকা খুবই ছোট নিউক্লিয়াস ইলেকট্রনকে নিজের দিকে টানে বলে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরে ।
iv. নিউট্রনের কোনো চার্জ নেই ।
v. প্রোটনের চার্জ পজিটিভ ।
vi. নিউক্লিয়াসের মোট চার্জ সবসময় পজিটিভ।
vii. ইলেকট্রনের চার্জ নেগেটিভ ।
viii. একটা পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রনের নেগেটিভ এবং প্রোটনের পজিটিভ চার্জদিয়েই সবকিছু শুরু।
পারমাণবিক সংখ্যা:
ছন্দে ছন্দে ৩০টি মৌলের নাম ও পারমানবিক সংখ্যা দেয়া হলঃ-মৌলের মধ্যে প্রোটন সংখ্যাকে পারমানবিক সংখ্যা বলে।
ইলেকট্রন বিন্যাস:
i. একটা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি প্রোটন থাকে বাইরে ঠিক ততগুলো ইলেকট্রন থাকে।
ii. ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াস থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে নির্দিষ্ট কক্ষপথে থাকে।
iii. এক কক্ষপথে একটি মাত্র ইলেকট্রন থাকে না, আরো বেশি সংখ্যক ও থাকে।
iv. একটি ইলেকট্রন কোন কক্ষপথ আছে তার ওপর সেই ইলেকট্রনের শক্তি নির্ভর করে।
v. বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য মুক্ত ইলেকট্রনের দরকার হয়।
vi. সোনা খুবই ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী।
vii. একটা পরমাণুর ইলেকট্রন সংখ্যা যত বেশি হবে তার ইলেকট্রনগুলো সাজানোর জন্য বেশি কক্ষপথের প্রয়োজন হয় তাই সাইজে বড় হয়।
viii. একেবারে বাইরের কক্ষপথের ইলেকট্রনগুলো কীভাবে আছে, সেটাই তার ধর্মকে নির্ধারণ করে। তাই কোন পরমাণু হচ্ছে ধাতু, কোনোটি অধাতু, কোনোটি গ্যাস কোনোটি তরল কিংবা কঠিন, কোনোটি নিস্ক্রিয় আবার কোনোটা অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল।
নিউক্লিয়াস
- একটা পরমাণুর ব্যাসার্ধ থেকে নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ প্রায় লক্ষ গুণ ছোট।
- একটা পরমাণুর ভেতরে পুরোটাই ফাঁকা।
- নিউক্লিয়াসের ভেতর খুবই ছোট জায়গায় প্রোটনগুলোকে গাদাগাদি করে থাকতে হয়।
- নিউক্লিয়াসের ভেতর গাদাগাদি করে থাকা পজিটিভ চার্জের প্রোটনগুলো পরস্পরকে প্রচণ্ডবলে বিকর্ষণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট মৌলিক পদার্থের পরমাণুতে কয়টি ইলেকট্রন এবং কয়টি প্রোটন থাকে সেটি নির্দিষ্ট কিন্তু নিউট্রনের সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়।
- একই মৌলিক পদার্থের ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক নিউট্রন পাওয়া যেতে পারে, সেগুলোর একটিকে আরেকটির আইসোটপ বলে।
- একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন নেই - হাইড্রজেন ।
- পরমাণুর ভর হচ্ছে তার নিউট্রন এবং প্রোটন কিংবা নিউক্লিয়াসের ভর।
- প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক বিকর্ষণের জন্য শুধু প্রোটন দিয়ে নিউক্লিয়াস তৈরি হতে পারে না। তার মধ্যে প্রায় সমান সংখ্যক কিংবা আরো বেশি নিউট্রন থাকতে হয়। তারপরেও অনেক সময় নিউক্লিয়াসগুলো স্থিতিশীল হয় না এবং নানা ধরনের রশ্মি বিকরণ করে। এই ধরনের নিউক্লিয়াসগুলোকে তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস বলে।
- তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াসগুলো থেকে যে রশ্মিগুলো বের হয়, সেগুলোর নাম আলফা, বেটা এবং গামা রশ্মি।
- পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী
- পরমাণুর শেষ কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য দিয়ে পরমাণুকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, সেটি হচ্ছে ধাতু এবং অধাতু।
- সোনা রুপা লোহা তামা এগুলো হচ্ছে ধাতুর উদাহরণ।
- ধাতুর বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এগুলো তাপ এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী।
- ধাতু জাতীয় পরমাণু গুলোর শেষ কক্ষপথে যে ইলেকট্রন থাকে সেগুলো সাধারণত খুব দুর্বলভাবে আটকে থাকে বা ‘প্রায়-মুক্ত’, খুব সহজেই সেটি এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে যেতে পারে।
- অধাতুর পরমাণুর শেষ কক্ষপথে প্রায় মুক্ত কোনো ইলেকট্রন নেই, তাই সেখানে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করার জন্য কোনো ইলেকট্রন নেই। উদাহরণঃ সালফার (গন্ধক), ফসফরাস, নাইট্রোজেন ।
- পরিবাহী এবং অপরিবাহী পরমাণু ছাড়াও কিছু পরমাণুকে অর্ধপরিবাহী বা ইংরেজিতে সেমিকন্ডাক্টর বলে।
অণু
- অণু গুলোই হচ্ছে পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক।
কঠিন, তরল ও গ্যাস
- কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে, একটির সাপেক্ষে অন্যটি নড়তে পারে না তাই কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার হয়।
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও কোনো নিয়মিত আকার নেই।
- যখন কোনো পদার্থ গ্যাস অবস্থায় থাকে, তখন তার কণাগুলো মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব হয় বেশ।
Author:
Asaduzzaman Miron
BBA-University Of Dhaka
What's App: 0832168252
Tag:
সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান নতুন বই,সপ্তম শ্রেণি বিজ্ঞান অনু পরমানু,সপ্তম শ্রেণি বিজ্ঞান,অণু পরমাণু,সপ্তম শ্রেণি বিজ্ঞান অধ্যায় 2 নতুন বই,অনুসন্ধানী পাঠ সপ্তম শ্রেণি,৭ম শ্রেণি বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়,সপ্তম শ্রেণি অনু পরমানু,সপ্তম শ্রেণি বিজ্ঞান অনুসন্ধানী বই,সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই,সপ্তম শ্রেণী বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ,class 7 biggan chapter 2 onusondhani,class7 onusondhani path chapter 2,class seven chapter 2 new book,class 7 science onushondhani,class 6 science onushiloni
Class Seven New Science,Onushondhani path book solution Onu Pormanu chapter-2, part-1 Class 7 New Science Book solution Class 7 New Biggan Book solution সপ্তম শ্রেণির নতুন বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ বই এর সমাধান অণু মরমাণু, অধ্যায়-২, পর্ব-১ জীববৈচিত্র্যের ঝুঁকি ও প্রতিকার
#জীববৈচিত্র্যের_ঝুঁকি_ও_প্রতিকার#class_seven_science
#সপ্তম_বিজ্ঞান
#biggan_new_book
#new_book_7
#সপ্তম_শ্রেণির_বিজ্ঞান_অনুশীলন_বই
#সপ্তম_শ্রেণির_বিজ্ঞান_অনুসন্ধানী_বই